ব্যবসায়িক সংগঠনের বিভিন্ন রূপের মধ্যে সহযোগী সমিতি একটি বিশেষ ধরণের প্রতিষ্ঠান। এটি মূলত সদস্যদের স্বার্থ রক্ষা এবং তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতির জন্য গঠিত হয়। সহযোগী সমিতি একটি স্বেচ্ছাসেবী, গণতান্ত্রিক এবং সদস্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণে কাজ করে।
সহযোগী সমিতি বলতে এমন একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে বোঝায় যেখানে একাধিক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে তাদের আর্থিক ও সামাজিক স্বার্থ রক্ষা ও উন্নতির জন্য কাজ করে। এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান যেখানে সদস্যরা সমান অধিকার পায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করে।
| বৈশিষ্ট্য | বর্ণনা |
|---|---|
| স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন | সদস্যরা স্বেচ্ছায় যোগ দেয় এবং সমিতির কাজে অংশগ্রহণ করে। |
| গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ | প্রতিটি সদস্যের ভোটাধিকার সমান, অর্থাৎ 'এক সদস্য, এক ভোট' নীতি প্রযোজ্য। |
| সদস্যভিত্তিক | সমিতির মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ সদস্যদের হাতে থাকে। |
| সীমিত মুনাফা | লাভের লক্ষ্য নয়, বরং সদস্যদের সুবিধা ও সেবা প্রদানই মূল উদ্দেশ্য। |
| সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি | সদস্যদের আর্থিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নতির জন্য কাজ করে। |
সহযোগী সমিতির সদস্যরা সাধারণত একই পেশা, ব্যবসা, বা এলাকার মানুষ হয় যারা মিলিত হয়ে সমিতি গঠন করে। সদস্যরা সমিতির নীতিমালা অনুসারে নিয়মিত সভায় অংশগ্রহণ করে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভোট দেয়।
graph TD A[সদস্যগণ] --> B[সভা আহ্বান] B --> C[নিয়মাবলী প্রণয়ন] C --> D[পরিচালনা কমিটি নির্বাচন] D --> E[সমিতির কার্যক্রম পরিচালনা] E --> F[সদস্যদের সেবা প্রদান]
উপরের ফ্লোচার্টে দেখা যাচ্ছে, সদস্যরা সভা করে নিয়মাবলী প্রণয়ন করে, পরিচালনা কমিটি নির্বাচন করে এবং কমিটি সমিতির দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
| সুবিধা | সীমাবদ্ধতা |
|---|---|
| সদস্যদের অর্থনৈতিক উন্নতি সাধন | পরিচালনায় দক্ষতার অভাব হতে পারে | সামাজিক বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি | লাভ সীমিত হওয়ায় বিনিয়োগ আকর্ষণ কম |
| সদস্যদের জন্য সহজ ঋণ সুবিধা | সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ সৃষ্টি হতে পারে |
| গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা | বৃহৎ সদস্য সংখ্যা থাকলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ধীরগতি হতে পারে |
ধাপ ১: সহযোগী সমিতি গঠনের জন্য সাধারণত সর্বনিম্ন ১০ জন সদস্যের প্রয়োজন হয়।
ধাপ ২: প্রদত্ত দলের সদস্য সংখ্যা ১৫ জন, যা সর্বনিম্ন সদস্য সংখ্যার চেয়ে বেশি।
উত্তর: তাই, ১৫ জন সদস্যের দল সহযোগী সমিতি গঠন করতে পারবে।
ধাপ ১: সদস্য সংখ্যা = ৫০ জন
ধাপ ২: প্রতিটি সদস্যের ভোট সংখ্যা = ১ (এক সদস্য, এক ভোট নীতি অনুযায়ী)
ধাপ ৩: সর্বোচ্চ ভোট সংখ্যা = ৫০ x ১ = ৫০
উত্তর: সর্বোচ্চ ৫০ ভোট গণনা করা হবে।
ধাপ ১: মোট লাভ = Rs.১,০০,০০০
ধাপ ২: সদস্য কের অংশীদারিত্ব = Rs.২০,০০০
ধাপ ৩: মোট অংশীদারিত্ব = Rs.২,০০,০০০
ধাপ ৪: কের লাভ = (অংশীদারিত্ব / মোট অংশীদারিত্ব) x মোট লাভ
= (Rs.২০,০০০ / Rs.২,০০,০০০) x Rs.১,০০,০০০ = 0.1 x Rs.১,০০,০০০ = Rs.১০,০০০
উত্তর: কের লাভ হবে Rs.১০,০০০।
ধাপ ১: নতুন সদস্যের আবেদন গ্রহণ।
ধাপ ২: আবেদন যাচাই ও অনুমোদন।
ধাপ ৩: সদস্যপদ ফি ও শেয়ার পেমেন্ট গ্রহণ।
ধাপ ৪: সদস্য তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তকরণ।
উত্তর: এই ধাপগুলো অনুসরণ করে নতুন সদস্যকে সহযোগী সমিতিতে যোগদান করানো হয়।
উত্তর: সহযোগী সমিতির নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:
এই তিনটি উপাদান সহযোগী সমিতির সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে।
কখন ব্যবহার করবেন: সহযোগী সমিতির সংজ্ঞা বা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত প্রশ্নে দ্রুত উত্তর দিতে।
কখন ব্যবহার করবেন: ভোট গণনা বা সদস্যদের অধিকার সম্পর্কিত প্রশ্নে।
কখন ব্যবহার করবেন: লাভ বা ক্ষতি বণ্টন সম্পর্কিত গণিত প্রশ্নে।
কখন ব্যবহার করবেন: নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্পর্কিত প্রশ্নে দ্রুত উত্তর দিতে।
কখন ব্যবহার করবেন: সমিতির সমস্যা বা সীমাবদ্ধতা সম্পর্কিত প্রশ্নে।
Progress tracking is paywalled — subscribe to mark subtopics as understood and save your streak.
Go to practice →